মন্দিরা ধাতু নির্মিত ঘণ জাতীয় এক ধরণের ঘাত বাদ্যযন্ত্র যা করতালের চেয়ে আকারে ছোট। যা মূলতঃ তাল যন্ত্র হিসাবেই ব্যবহৃত হয়। এগুলো মূলত তামা বা কাঁসা দিয়ে তৈরী। দুই হাতে দুটো ধরে গান বা বাজনার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাজানো হয়।
ঘন বাদ্যযন্ত্র। কাঁসার তৈরি। মন্দিরা বলতে এক জোড়া ক্ষুদ্রকায় পিতলের বাটি জাতীয় তালবাদ্যকেই বাজানো হয়। বাটিগুলোর নিচে ছোট ছিদ্র করে দড়ির হাতল দিয়ে আটকানো। বাজানোর সময় দুই হাতের আঙুলের মধ্যে রজ্জুর তৈরি হাতলগুচ্ছ আটকিয়ে বাটিগুলোকে আঘাত করা হয়। বাটির দেয়াল খানিকটা পুরু হওয়ায় মন্দিরায় বেশ উঁচু পর্দার শব্দ হয়। ঢোলক, মৃদঙ্গ, পাখোয়াজ ও তবলা বাঁয়ার সঙ্গে তাল দেওয়ার জন্য মন্দিরা ব্যবহার করা হয়। তাল, লয় ও ছন্দ নির্ধারণে মন্দিরা সহায়ক বাদ্য। এটাকে খঞ্জনিও বলা হয়। আবার অনেক জায়গায় একে জুড়িও বলা হয়। মন্জিরাকে ভরতনাট্যমে তালাম বলে।
ভারতের রাজস্থানী সংগীত ও সংস্কৃতির সাথে মন্দিরার সখ্যতা অতিপ্রাচীন। তারা নাচ-গানের আসর, এমনকি বিয়ে-শাদীর অনুষ্ঠানেও এটি ব্যবহার করে।
শচীন দেব বর্মনের একটি গান
মন্দিরা সহযোগে রাজস্থানী নাচ
বেলী নাচে মন্দিরার ব্যবহার..
ঘন বাদ্যযন্ত্র। কাঁসার তৈরি। মন্দিরা বলতে এক জোড়া ক্ষুদ্রকায় পিতলের বাটি জাতীয় তালবাদ্যকেই বাজানো হয়। বাটিগুলোর নিচে ছোট ছিদ্র করে দড়ির হাতল দিয়ে আটকানো। বাজানোর সময় দুই হাতের আঙুলের মধ্যে রজ্জুর তৈরি হাতলগুচ্ছ আটকিয়ে বাটিগুলোকে আঘাত করা হয়। বাটির দেয়াল খানিকটা পুরু হওয়ায় মন্দিরায় বেশ উঁচু পর্দার শব্দ হয়। ঢোলক, মৃদঙ্গ, পাখোয়াজ ও তবলা বাঁয়ার সঙ্গে তাল দেওয়ার জন্য মন্দিরা ব্যবহার করা হয়। তাল, লয় ও ছন্দ নির্ধারণে মন্দিরা সহায়ক বাদ্য। এটাকে খঞ্জনিও বলা হয়। আবার অনেক জায়গায় একে জুড়িও বলা হয়। মন্জিরাকে ভরতনাট্যমে তালাম বলে।
ভারতের রাজস্থানী সংগীত ও সংস্কৃতির সাথে মন্দিরার সখ্যতা অতিপ্রাচীন। তারা নাচ-গানের আসর, এমনকি বিয়ে-শাদীর অনুষ্ঠানেও এটি ব্যবহার করে।
শচীন দেব বর্মনের একটি গান
মন্দিরা সহযোগে রাজস্থানী নাচ
বেলী নাচে মন্দিরার ব্যবহার..



